ক্রিকেট বেটিং

srd9-তে ক্রিকেট বেটিং — BPL থেকে T20 World Cup পর্যন্ত সব ফরম্যাটে বাজি ধরুন

বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য srd9 নিয়ে এসেছে বিস্তারিত বেটিং মার্কেট — ম্যাচ উইনার, টস, টপ ব্যাটসম্যান থেকে শুরু করে লাইভ ইন-প্লে পর্যন্ত সব কিছু এক জায়গায়।

২১+ বয়সের জন্য bKash, Nagad, Rocket, Upay বাংলা ও ইংরেজি সাপোর্ট SSL এনক্রিপশন
এই সাইটে সব ক্যাসিনো ও বেটিং কার্যক্রম কেবলমাত্র ২১ বা তার বেশি বয়সীদের জন্য। বেটিং বিনোদনের উদ্দেশ্যে — আয়ের নিশ্চিত উৎস নয়।
srd9 ক্রিকেট ম্যাচের লাইভ বেটিং মার্কেট
ফরম্যাট ও প্রতিযোগিতা

ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে বেটিং কীভাবে আলাদা

T20, ODI আর Test — এই তিনটি ফরম্যাটের গেমপ্লে যেমন আলাদা, বেটিং মার্কেটও ভিন্ন। T20 ম্যাচে খেলা ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়, তাই প্রতিটি ওভারেই অডস দ্রুত বদলায়। ওভার-বাই-ওভার বেটিং, পাওয়ারপ্লে রান, সিক্সার সংখ্যা — এ ধরনের মার্কেট T20-তে সবচেয়ে জনপ্রিয়।

ODI ম্যাচে পঞ্চাশ ওভারের লম্বা ইনিংস থাকায় টপ ব্যাটসম্যান বা নির্দিষ্ট ওভার পর্যন্ত মোট রানের বাজি বেশি সুযোগ দেয়। Test ক্রিকেটে পাঁচ দিনের খেলায় ড্র একটি বৈধ ফলাফল, তাই এখানে ম্যাচ উইনার মার্কেটে তিনটি অপশন থাকে।

বিপিএল (BPL) বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি লিগ; ঢাকাসহ সারা দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা এই টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ নিয়ে বেটিং করেন। IPL এবং ICC T20 World Cup-এও srd9-এ পর্যাপ্ত মার্কেট পাওয়া যায়। বাংলাদেশ টাইগার্সের আন্তর্জাতিক ম্যাচ মানেই বেটিং প্ল্যাটফর্মে ব্যস্ততা বাড়ে।

srd9 ফুটবল ও অন্যান্য স্পোর্টস বেটিং
ফুটবল ও অন্যান্য স্পোর্টস

ক্রিকেটের বাইরে ফুটবল ও অন্য খেলায় বেটিং

srd9-এ ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবলেও বেটিং করা যায়। ফুটবলে ম্যাচের ফল তিন রকম — হোম উইন, অ্যাওয়ে উইন বা ড্র; তাই এখানে অডস সাধারণত তিনটি ফলাফলে ভাগ হয়। ক্রিকেটের সীমিত ওভারের ম্যাচে সাধারণত ড্র নেই, তাই দুই দলের মধ্যে অডসের পার্থক্য আরও সরাসরি।

ফুটবলে গোলের মোট সংখ্যা, নির্দিষ্ট হাফে ফল বা কর্নার কিকের সংখ্যার মতো মার্কেট পাওয়া যায়। ক্রিকেটে এই ধারণাগুলো রানের হিসাবে প্রকাশ পায়। উভয় খেলায় লাইভ ইন-প্লে বেটিং আছে, তবে ক্রিকেটে প্রতিটি বল নতুন ঘটনা তৈরি করে বলে অডস প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তন হয়।

বেটিং ছাড়াও srd9-এ srd9 Casino-তে লাইভ ক্যাসিনো ও স্লট গেম পাওয়া যায় — যাঁরা কোনো ম্যাচের ফাঁকে অন্য কিছু উপভোগ করতে চান, তাঁদের জন্য।

জনপ্রিয় মার্কেট

ক্রিকেটে ৭টি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত বেটিং মার্কেট

প্রতিটি মার্কেটে কী বাজি ধরা হয় এবং কীভাবে কাজ করে, তা সরল ভাষায় নিচে দেওয়া হলো।

ম্যাচ উইনার

কোন দল জিতবে?

দুই দলের মধ্যে কোনটি ম্যাচ জিতবে সেটা বেছে নেওয়াই এই মার্কেটের মূল বিষয়। T20 বা ODI-তে ড্র নেই, তাই সরাসরি দুটি অপশন — দল A না দল B। যে দলকে শক্তিশালী মনে করা হয় তার অডস সাধারণত কম থাকে।

টস উইনার

টসে কে জেতে?

শুধু টসের ফলাফলের উপর বাজি — ম্যাচের ফলাফলের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। কয়েন উল্টানোর মতো দুটি সমান সম্ভাবনা, তাই উভয় দলের অডস সাধারণত প্রায় একই থাকে।

টপ ব্যাটসম্যান

সর্বোচ্চ রান কে করবেন?

একটি দলের মধ্যে কোন ব্যাটার সবচেয়ে বেশি রান করবেন তার উপর বাজি। দলীয় লাইনআপ আগে ঘোষণা হলে বিভিন্ন ব্যাটারের অডস তুলনা করা সহজ হয়।

ওভার / আন্ডার রান

মোট রান কতটুকু হবে?

প্ল্যাটফর্ম একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা (যেমন ১৬০) ঠিক করে দেয়। মোট রান সেটার বেশি হবে (ওভার) নাকি কম (আন্ডার) — এটুকুই বেছে নিতে হবে। পিচ ও আবহাওয়া এই মার্কেটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মাল্টি বেট

একাধিক ম্যাচ এক বাজিতে

একাধিক নির্বাচন একত্র করে একটি মাল্টি বেট তৈরি করলে সব অডস গুণ হয়। সব নির্বাচন সঠিক হলে রিটার্ন অনেক বেশি, তবে একটি ভুল মানে পুরো বাজি হার। মাল্টি বেটে ঝুঁকি বেশি, তাই ছোট অ্যামাউন্টে শুরু করা ভালো।

ইনিংস মার্কেট

প্রথম ওভারে রান বা উইকেট

প্রথম এক বা দুই ওভারে মোট রান কত হবে, অথবা পাওয়ারপ্লেতে উইকেট পড়বে কিনা — এসব ইনিংস-ভিত্তিক মার্কেট T20-তে বিশেষভাবে সক্রিয়। ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই এই বাজি রাখতে হয়।

প্লেয়ার পারফরম্যান্স

কোনো খেলোয়াড় ফিফটি মারবেন?

নির্দিষ্ট একজন ব্যাটার ৫০ বা ১০০ রান করবেন কিনা, অথবা কোনো বোলার নির্দিষ্ট সংখ্যক উইকেট নেবেন কিনা — এই মার্কেটে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের উপর বাজি ধরা হয়।

অডস বোঝা

ডেসিমাল, ফ্র্যাকশনাল ও আমেরিকান অডস কীভাবে পড়বেন

একই অডসকে তিনটি ভিন্ন ফরম্যাটে লেখা হয় — ডেসিমাল (দশমিক), ফ্র্যাকশনাল (ভগ্নাংশ) এবং আমেরিকান (মানি লাইন)। ফরম্যাট যেটাই হোক, অর্থ একই।

উদাহরণ ১ — তিন ফরম্যাটে একই অডস (দল A জিতবে, স্টেক ৳৫০০)
ডেসিমাল 2.50 = ফ্র্যাকশনাল 3/2 = আমেরিকান +150

বাজি জিতলে মোট রিটার্ন ৳১,২৫০ — এর মধ্যে ৳৭৫০ মুনাফা এবং মূল বাজি ৳৫০০ ফেরত। বাজি হারলে ৳৫০০ চলে যায়।

উদাহরণ ২ — ফেভারিটের অডস (দল B জিতবে)
ডেসিমাল 1.25 = ফ্র্যাকশনাল 1/4 = আমেরিকান -400

আমেরিকান মাইনাস অডস মানে ১০০ টাকা মুনাফা করতে কতটা স্টেক লাগবে সেটা দেখায়। এখানে ৳৫০০ স্টেকে রিটার্ন ৳৬২৫ (৳১২৫ মুনাফা)।

ডেসিমাল অডস বুঝতে সহজ — স্টেক সংখ্যাটি দিয়ে গুণ করলে মোট রিটার্ন পাওয়া যায়। সংখ্যাটি যত বড়, জেতার সম্ভাবনা তত কম, কিন্তু রিটার্নও তত বেশি।

মাল্টি বেট উদাহরণ

একাধিক নির্বাচনে সম্মিলিত অডস কীভাবে হিসাব হয়

মাল্টি বেটে প্রতিটি নির্বাচনের অডস একে অপরের সঙ্গে গুণ হয়। তিনটি নির্বাচন যদি ডেসিমালে 1.60, 1.70 ও 1.90 হয়, তাহলে সম্মিলিত অডস:

৩ সিলেকশনের মাল্টি বেট — স্টেক ৳১০০
1.60 × 1.70 × 1.90 = 5.17 (প্রায়)

তিনটি নির্বাচন সবই সঠিক হলে ৳১০০ বাজিতে ফেরত আসে ৳৫১৭। একটি নির্বাচনও ভুল হলে পুরো ৳১০০ হারিয়ে যায়।

মাল্টি বেটের আকর্ষণ হলো বড় রিটার্ন, কিন্তু প্রতিটি বাড়তি নির্বাচন ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। নতুন বেটারদের জন্য দুটি নির্বাচনের মাল্টি বেট (ডবল) দিয়ে শুরু করা সহজ।

বেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়মকানুন জানতে আমাদের নিয়ম ও শর্তাবলী পাতাটি পড়া উচিত — বিশেষত বোনাস ও উইথড্রয়াল নিয়ে নির্দিষ্ট শর্ত সেখানে পাবেন।

লাইভ বেটিং

উইকেট পড়লে বা ছক্কা হলে অডস কীভাবে বদলায়

লাইভ ইন-প্লে

ইন-প্লে বা লাইভ বেটিং মানে ম্যাচ চলাকালীন বাজি ধরা। প্রতিটি বলের পর অডস নতুনভাবে নির্ধারণ হয়, কারণ পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে।

ধরুন দল A পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে — এই মুহূর্তে তাদের ম্যাচ জেতার অডস বেড়ে যাবে (মানে তারা পিছিয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে) এবং দল B-এর অডস কমবে। মাঝামাঝি ওভারে কোনো দল যদি বড় পার্টনারশিপ গড়ে, অডস আবার পাল্টাবে।

লাইভ বেটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কম — অডস স্ক্রিনে দেখার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সেটা বদলে যেতে পারে। তাই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং নিজের বাজেটের মধ্যে থাকা দুটোই জরুরি।

লাইভ ম্যাচ দেখতে দেখতে বেটিং করা সবচেয়ে স্বাভাবিক অভিজ্ঞতা। srd9 App ব্যবহার করলে মোবাইলে যেকোনো জায়গা থেকে লাইভ অডস ট্র্যাক করা সহজ।

srd9 লাইভ ইন-প্লে ক্রিকেট বেটিং অডস আপডেট
কার্যকর পরামর্শ

ক্রিকেট বেটিংয়ে মাথা ঠান্ডা রাখার কিছু উপায়

বেটিং বিনোদনের একটি মাধ্যম — নিশ্চিত আয়ের পথ নয়। নিচের অভ্যাসগুলো মেনে চললে অভিজ্ঞতাটা আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় থাকে।

দায়িত্বশীল বেটিং সম্পর্কে আরও জানতে আমাদের দায়িত্বশীল খেলা পাতায় বিস্তারিত নির্দেশনা পাবেন।

বাজেট আগে ঠিক করুন

প্রতি সপ্তাহ বা প্রতি ম্যাচে কতটুকু খরচ করবেন সেটা আগে থেকে সীমা বেঁধে রাখুন। হেরে গেলে সেই সীমার বাইরে যাওয়া উচিত নয়।

একটি মার্কেটে মনোযোগ দিন

নতুন বেটারদের জন্য একটি বা দুটি মার্কেট ভালো করে বোঝা, একসঙ্গে সব মার্কেটে ছড়িয়ে পড়ার চেয়ে ভালো।

লাইভ বেটিংয়ে তাড়াহুড়ো এড়ান

ইন-প্লেতে অডস দ্রুত বদলায় — তাড়াহুড়ো করে বড় বাজি না রেখে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিন।

আবেগ দিয়ে নয়, বিবেচনা দিয়ে বাজি ধরুন

নিজের প্রিয় দলের উপর বাজি ধরা স্বাভাবিক, তবে আবেগ অডস বিচারকে প্রভাবিত করতে পারে। বেটিং বিনোদন হিসেবে নিন।

বাজির রেকর্ড রাখুন

কোন মার্কেটে কতটুকু বাজি ধরলেন এবং ফল কী হলো — এটা ট্র্যাক করলে নিজের অভ্যাস বুঝতে পারবেন।

srd9-তে ক্রিকেট বেটিং শুরু করুন

প্রথম ডিপোজিটে ২০০% বোনাস পান — সর্বোচ্চ ৳৫,০০০ পর্যন্ত (বোনাস ২৫ গুণ ওয়াগার করতে হবে)। ন্যূনতম ডিপোজিট মাত্র ৳২০০, bKash, Nagad, Rocket বা Upay দিয়ে। উইথড্রয়াল সাধারণত ৫-৩০ মিনিটের মধ্যে হয়। নিয়মিত খেলুয়াড়রা VIP প্রোগ্রামে ব্রোঞ্জ, সিলভার বা গোল্ড টিয়ারে সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক পান।

200%
প্রথম ডিপোজিট বোনাস
৳200
ন্যূনতম ডিপোজিট
5-30
মিনিটে উইথড্রয়াল
srd9 Login — এখনই শুরু করুন
srd9 ডিপোজিট বোনাস ও পেমেন্ট অপশন
সাধারণ প্রশ্ন

ক্রিকেট বেটিং নিয়ে জিজ্ঞাসা

হ্যাঁ, ফরম্যাট অনুযায়ী মার্কেট পরিবর্তন হয়। T20-তে ওভার-বাই-ওভার রান, সিক্সার সংখ্যা ও পাওয়ারপ্লে স্কোরের মতো ছোট-মেয়াদি মার্কেট বেশি পাওয়া যায়। ODI-তে ইনিংস মোট এবং ব্যক্তিগত মাইলস্টোন মার্কেট বেশি থাকে। Test ম্যাচে ড্র একটি বৈধ ফলাফল বলে ম্যাচ উইনার মার্কেটে তিনটি অপশন থাকে, যা T20 বা ODI-তে থাকে না।

উইকেট পড়লে, বড় ছক্কা বা চার হলে এবং রান রেট হঠাৎ বদলালে অডস সবচেয়ে দ্রুত পরিবর্তন হয়। পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার মুহূর্ত এবং শেষ পাঁচ ওভারে লাইভ অডস সবচেয়ে সক্রিয় থাকে। এই সময়গুলোতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার, তবে তাড়াহুড়ো করে বড় বাজি রাখা এড়ানো উচিত।

srd9-এ একটি মাল্টি বেটে একাধিক নির্বাচন রাখা যায়। নির্বাচনের সংখ্যা বাড়লে সম্মিলিত অডস এবং সম্ভাব্য রিটার্নও বাড়ে। তবে মনে রাখা দরকার, একটি নির্বাচনও ভুল হলে পুরো বাজি হারিয়ে যায়। নতুন বেটারদের জন্য দুটি নির্বাচনের ডবল বা তিনটির ট্রেবল দিয়ে শুরু করা স্বাচ্ছন্দ্যজনক।

বৃষ্টি বা অন্য কারণে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে সাধারণত বাজি বাতিল করে স্টেক ফেরত দেওয়া হয়, তবে নির্দিষ্ট নিয়ম প্ল্যাটফর্মের শর্ত অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। ম্যাচ DLS পদ্ধতিতে ফলাফল নির্ধারিত হলে অনেক ক্ষেত্রে বাজি বহাল থাকে। বিস্তারিত জানতে নিয়ম ও শর্তাবলী দেখুন।

দুটোই T20 ফরম্যাট, তাই মার্কেটের ধরন একই। তবে খেলোয়াড়ের পরিচিতি ও দলের গঠন ভিন্ন। BPL বাংলাদেশের স্থানীয় লিগ বলে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে স্থানীয় বেটারদের আগ্রহ বেশি থাকে। IPL আন্তর্জাতিক মানের বড় লিগ, তাই সেখানে বেশি দল ও বেশি ম্যাচ পাওয়া যায়।
আরও দেখুন

srd9-এর অন্যান্য বিভাগ